সমরেশ মজুমদারের বইপড়া হয়না অনেকদিন।কালবেলা পড়েছিলাম বহু বছর আগে,তখন সমরেশকে চিনতামও না ভালোভাবে।অনেক বছর পর আবার সমরেশ পড়া হলো।তাছাড়া পিএইচডিতে এসে পড়ার সময় মেলানো কঠিন।গতমাসে বই পড়ার উদ্দেশ্যে কিন্ডল কিনলাম।এবার অনেকটা জেনে,বুঝে সমরেশ দিয়ে কিন্ডলে পড়া শুরু করলাম।উপন্যাসের নাম আট কুঠুরি নয় দরজা।পলিটিকাল থ্রিলার বলে নাম দিয়েছে এইবইয়ের জনরার।থ্রিলার ও পড়েছি কত, খুব বেশি পড়া হয়নি।তবে এইবইয়ের বেশ কয়টা চ্যাপ্টার পরতে যেয়ে শ্বাসরুদ্ধ অবস্থা হয়েছিলো।আকাশলালের চরিত্রের রহস্য উদঘাটনে অনেক দুপুর কেটে গেছে এই বইয়ের সাথে।ডাক্তারদের এই গন্ডগোলের শহরে আসা,বাঘের সাথে লড়াই।প্রথমে তো ভেবেই নিয়েছিলাম বাঘের রহস্য উপন্যাস এটা।তবে আস্তে আস্তে সব জট খুলতে থাকে।ম্যাডাম চরিত্র এখনও রহস্য আমার কাছে।যাই হোক অনেকদিন পর চমৎকার একটা বই পড়লাম এটাই সার্থকতা।
সক্রেটিস বলে গেছেন বিস্ময় থেকে জ্ঞানের শুরু।জ্ঞান অসীম। জ্ঞানের শুরু আর শেষ আছে বলে আমার কাছে মনে হয়না।এই অপরিসীম জ্ঞানের জগতে দর্শনের জ্ঞান অর্জন কোথা থেকে শুরু করবো এই নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন থাকতে পারে সেজন্য আজকে দর্শনের তিনটা বই নিয়ে লিখবো যেখান থেকে যেকেউ অনায়াসে দর্শন পড়া শুরু করতে পারে। ১.Philosophy for Dummies :Dummies সিরিজের বই নিয়ে আসলে নতুন করে বলার কিছু নাই।আমি personally এই সিরিজের বিশাল ভক্ত। পারলে সব বই কিনে ফেলি।৪০৩ পৃষ্ঠার বিশাল কলেবর এর এই বই লিখেছেন Tom Morries। মরিস ইউনিভার্সিটি অব নটরডেমের দশনের অধ্যাপক। বইয়ে সাকুল্যে নয়টা পার্ট, একেক পার্টে আবার একাধিক অধ্যায়।দর্শনের মূল সব বিষয় নিয়ে আলোচনা, তুলে এনেছেন দর্শনের Fundamental সব প্রশ্ন ও তার উত্তর। এই বইয়ে দার্শনিকের জীবনকাহিনী নিয়ে অত বেশি আলোচনা নেই,তবে বইয়ের একদম শেষে আছে "Parts of Tens"। দশজন বিখ্যাত দার্শনিক আর দশটা বিখ্যাত দর্শনের প্রশ্ন নিয়ে সাজানো এই অধ্যায়। ২.Philosophy 101: এই বইটি লিখেছেন Paul Kleinman। উনার ডিগ্রি আছে আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় দার্শনিক প্রতিষ্ঠান Havard Divinity School ...
প্রস্ততি পর্ব এরকম যে একটা সুযোগ যে হবে এ কথা কে আর ভেবেছিলো? এ যেন স্বপ্ন আর বাস্তবের মধ্যে উজ্জ্বল হয়ে যাওয়া এক অলৌকিক মূহুর্ত। সেই অসাধারণ সব মূহুর্তের গল্প নিয়ে লিখবো প্রথম আমেরিকায় পা দেয়ার গল্প। আমেরিকায় পা দেয়ার স্বপ্নের বুনন চলছিলো দীর্ঘদিন ধরেই।অবশেষে সেই স্বপ্ন বাস্তবের কাছাকাছি আসলো। ২০২৪ এর ফেব্রুয়ারীর ৯ তারিখে গিয়েছিলাম University of Nebraska Lincoln এ PhD recruitment event এ যোগ দিতে। PhD প্রোগ্রামের নাম ছিলো Complex Biosystems। প্রোগ্রামের এপ্লিকেশন ডেডলাইন ছিলো ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩। এপ্লিকেশন সাবমিট করেছি বেশ কয়েকদিন আগেই। ২৩ ডিসেম্বর ইন্টারভিউ মেইল দিলো UNL থেকে।ক্রিসমাসের ছুটি পড়ে যাওয়ায় ইন্টারভিউ নিলো ৪ জানুয়ারি। খুবই Impressive একটা ইন্টারভিউ দিয়েছি।আমার কাছে মনে ইন্টারভিউ PhD application এর খুবই একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ।ভালো ইন্টারভিউ দিলে চান্স অনেকটাই বেড়ে যায়।অনেক competitive জায়গায় interview দিয়েও অনেকে বাদ পরে যায়। যাই হোক, জানুয়ারীর ১০ তারিখে জানালো আমি in person recruitment event এর জন্য আমন্ত্রিত হয়েছি। সেদিন থেকেই আমার উৎসাহের আর কমতি নেই। কিন্তু তখনও ...
Wow! Love it <3
ReplyDelete